Posts

Showing posts with the label History

Apollo-11: A giant leap for mankind

Image
J uly 20,1969 at 10:56 p.m. EDT, American astronaut Neil Armstrong, 240,000 miles from Earth, speaks these words to more than a billion people listening at home: “That’s one small step for man, one giant leap for mankind.” Stepping off the lunar landing module Eagle, Armstrong became the first human to walk on the surface of the moon. It was a dream of human being to reach the moon and explore the surface.We fascinated what mystery might be there .People might have only dreamt about reaching the moon but there was doubt if we could really reach there and even if we reach then how. Scientists just did not dreamt it,they explored how to fulfill that dream and Apollo -11 is the result of that. After the unsuccessful attempt by the Luna 1 to land on the moon in 1959, the Soviet Union performed the first hard moon landing later that same year with the Luna-2 spacecraft, a feat the U.S. duplicated in 1962 with Ranger 4. Since then, twelve Soviet and U.S. spacecraft have u...

একটি আপেল ও থিওরি অফ গ্র্যাভিটেশনাল ফোর্স

Image
স্যা র আইজ্যাক নিউটনের আপেলের গল্পটা আমরা সবাই ছোটবেলা থেকেই জানি। এটা বিজ্ঞানের ইতিহাসে সবচেয়ে বিখ্যাত কাহিনীগুলোর একটি। যে কাহিনীটি সবচেয়ে প্রচলিত সেটি হল, “একদিন স্যার নিউটন একটা গাছের নিচে বসে ছিলেন। তো হঠাৎ করে একটা আপেল তাঁর মাথার উপর পড়লো। আর তারপরই দারুণ একটি চিন্তা খেলে গেলো তাঁর মাথায়, আর আবিষ্কৃত হলো “থিওরি অফ গ্র্যাভিটি”। কে জানতো! এই একটি আপেলই পৃথিবীকে বদলে দিবে।  এ গল্পটি মোটামুটি নিউটন ও তাঁর পরবর্তী প্রজম্মে প্রতিষ্ঠিত হলেও নিউটন কিন্তু রয়েল সোসাইটির কাছে অন্যভাবে বর্ণনা করেছিলেন। লন্ডনের রয়েল সোসাইটির থেকে পাওয়া বর্তমানের ডিজিটাল ম্যানুস্ক্রিপ্টে বলা আছে, কিভাবে নিউটন লিঙ্কনশায়ারে তাঁর মায়ের বাগানে একটি গাছ থেকে আপেল পড়তে দেখে তাঁর “থিওরি অফ গ্র্যাভিটি” বর্ণনা করেছিলেন। এখানে কোথাও আপেলটি তাঁর মাথায় বা অন্য কোথাও আঘাত করেছে বলে কোন প্রমাণ নেই। ১৬৬৬ সাল। প্লেগের মহামারীতে যখন জনজীবন  বিপর্যস্ত, নিউটনকে তখন কেমব্রীজ ছেড়ে দিতে হয়। সেখান থেকে তিনি লিঙ্কনশায়ারে চলে যান। তিনি প্রায়ই খুব চিন্তিত থাকতেন, ভাবতেন কিভাবে চাঁদ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছে,...

পেন্সিলের গল্প

Image
হাতের কাছের যেই পেন্সিল দিয়ে মুহূর্তেই খসখস শব্দে টুকে নিচ্ছেন কোন দরকারি তথ্য অথবা আঁ কছেন খেয়াল খুশিমত, ভেবেছেন এই চমৎকার জিনিস টির উৎপত্তি কিভাবে? কিভাবে এর সুচনা? চলুন জেনে নেই দুর্দান্ত কাজের জিনিস এই পেন্সিলের ইতিহাস! যার জন্যে আমাদের পাড়ি জমাতে হবে হাজার বছরের পেছনের প্রাচীন রোম সাম্রাজ্যে, সেই সময়ে যার পরিচয় ছিল স্টাইলাস। স্টাইলাস হল একপ্রকার চিকন সরু ধাতব রড যার দ্বারা নরম পেপিরাস নামক মোমের তৈরী আস্তরণের (কাগজের আদিরূপ) গায়ে অক্ষর বা চিহ্নের দাগ কাটা হত। পরবর্তীতে স্টাইলাসে লেড এর প্রচলন করা হয় যার থেকেই মূলত আধুনিক পেন্সিল এর সুত্রপাত বলে ধারনা করা হয়।  লেড এর ক্রমবিকাশের দ্বারা সৃষ্টি হয় পেন্সিলের মুল  লেখার অংশটি, বর্তমানে এতে ব্যবহার করা হয় অবিষাক্ত গ্রাফাইট। কিন্তু এতটুকুতেই শেষ হবার নয় পেন্সিলের মহান ইতিহাস!!!                                                                ...

ইতিহাসের পাতায় কলিঙ্গ

Image
২৬১ খ্রিস্টপূর্ব। মৌর্য সম্রাট অশোক তাঁর রাজত্বের অষ্টম বছরে পদার্পণ করলেন। পিতা বিন্দুসারের নীতি গ্রহণ করে তিনি জয় করে যাচ্ছিলেন একের পর এক রাজ্য। প্রায় সমগ্র দক্ষিনভারত তখন তাঁর দখলে। নিজের হিংস্রতার কারণে তিনি সাধারণের কাছে ‘চন্ডাশোক’ নামে পরিচিত ছিলেন ... এমনই এক সময়, একদিন রাজ্যসভায় আলোচনা হচ্ছিল বিজয় হওয়া রাজ্য গুলো নিয়ে। এসময় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী অশোকের কাছে প্রস্তাব করেন, তিনি যেন এ রাজ্য জয়ের মধ্যে কলিঙ্গ আক্রমণ করেন, পিতামহ  চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য যে ভারতের স্বপ্ন দেখেছিলেন,সে স্বপ্নকে পূরণ করেন। অশোক তাঁর এ প্রস্তাবে সাড়া দেন। হয়ে যায় ইতিহাসের সবচে ভয়াবহ এক যুদ্ধের পরিকল্পনা। সর্বশক্তি  নিয়ে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ার পরিকল্পনা নেয়া হয়। কলিঙ্গ রাজ্য। দয়া নদীর ধারে ধৌলি পাহাড়ের কাছে সমবেত হল মগধের ৬০০০০ পদাতিক সৈন্যদল। তাদের সাথে ছিল ১০০০০ অশ্বারোহী সেনাদল। প্রায় ৭০০ হাতিও সেখানে হাজির করা হয়, যেগুলো যে কোন মুহূর্তে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়তে ছিল প্রস্তুত। দুই পক্ষের সেনাবাহিনীই প্রস্তুত। কিন্তু অশোক তখনো যুদ্ধস্থলে এসে পৌছাননি। এদিকে মগধের সেনাপতির আর তর সইছিল...