Posts

Spring, Summer, Fall, Winter... and Spring : A story of life through the lens

Image
অদ্ভুত এক মুভির গল্প বলব আজ। অদ্ভুত বলছি তার যথেষ্ট কারণ আছে। একটা মুভির মূল হয় একটা গল্প। জীবনের নির্দিষ্ট একটা ঘটনা। কিছু নির্দিষ্ট মানুষের জীবন। আচ্ছা , মানুষের সম্পূর্ণ জীবনের একটা উদাহরণ কি ক্যামেরাতে বন্দি করা সম্ভব ? একাধারে শিশুকাল , তারুণ্য , যৌবন এবং বার্ধক্যের ধারণা কি এক মুভিতেই দেয়া সম্ভব ? আর সম্ভব হলেও বা , তা কি বেশ জটিল হবে ? সব স্তরের মানুষের কাছে কি পৌছাবে ক্যামেরা পেছনের মানুষটার আসল বার্তা ? এবার উত্তর দেই। হ্যাঁ , সবই সম্ভব। সম্ভব করেছেন সাউথ কোরিয়ান ডিরেক্টর , রাইটার এবং অভিনেতা  Kim Ki Duk   তার স্প্রিং , সামার , ফল , উইনটার ...... এন্ড স্প্রিং মুভিতেই। মুভির ইন্ট্রো দেই, মুভির ডিরেক্টর রাইটার এবং অভিনেতা   Kim  K i Duk .   এই জনাব    Kim Ki Duk   সাহেবের পরিচিতি আছে বিশেষ ভাবে , লো বাজেট ফিল্ম মেকার , শর্ট পিরিয়ডেই ফিল্ম মেকিং এবং তাঁর  Idiosyncratic  কাজ   এর জন্য। তাঁর আরো দুটি মুভি   The Isle (2000)   এবং  A ddress unknown (2001)   যা ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভলে যা...

ধূসর ঘাস - অস্পষ্ট উৎসব

Image
১৪ ই এপ্রিল। সকাল ১০ টা। অন্তু ঘুম থেকে উঠে ওয়াশ রুম এর দিকে আগালো।ঘুমটা আসলে ভেঙ্গে গেল বলা চলে কেননা অন্তু যখন বিছানায় যায় তখন সকাল ৭ টা বাজে। রাত ধরে অন্তু সিদ্ধান্ত নেয় ১লা বৈশাখে সে কোথাও যাবে না, অমরের ৩২১ নং রুম ছাড়া। আমি ঘুমিয়ে ছিলাম। অন্তুর সাথে থাকার দরুন আমিও জগত সংসারের উৎসবের প্রতি দিন দিন আবেগহীন হচ্ছিলাম। আমারো মনে হতে লাগলো এগুলা মুল্যহীন। উৎসবের জন্য কখনো দিনক্ষণ ঠিক করা লাগে না। জীবন মানে উৎসব। জীবনের প্রতিটা মুহূর্তই উৎসব। চোখ খুলে অন্তুর দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলাম। পরনে জিন্স এর প্যান্ট, পাঞ্জাবি, হাতঘড়ি আর চোখে তার মা এর কিনে দেয়া সানগ্লাস। এই সান গ্লাস সে কাউকে পরতে দেয় না। - অই উঠ , উঠ বাইরে যাইতে হবে - কই?? - আরে কথা কম বল। রেডি হ। বাইরে যাবো। আমি কথা না বাড়িয়ে গোসল করে শার্ট পড়ার সময় অন্তু বলল - - অই পাঞ্জাবী নাই তোর?পাঞ্জাবী পর। - পাঞ্জাবী কেন? হাতের জলন্ত আধখানা বেনসনটা আমার দিকে বাড়িয়ে বলল - - আজকে মাইয়া দেখব,মাইয়া। এই কথাটার পর আমি অন্তুর মুখে যে হাসিটা দেখলাম এরপর কিছু বুঝতে আর বাকি রইল না।আমরা দুইজন একটা রিকশায় ...

মৃত চিরকুট

Image
                          "শোনা গেল লাশকাটা ঘরে নিয়ে গেছে তারে ; কাল রাতে - ফাল্গুনের রাতের আঁধারে যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ মরিবার হল তার সাধ । বধু শুয়েছিল পাশে , শিশুটিও ছিল ; প্রেম ছিল , আশা ছিল - জোছনায় - তবু সে দেখিল কোন ভূত ? ঘুম কেন ভেঙ্গে গেল তার ? অথবা হয়নি ঘুম বহুকাল - লাশ কাটা ঘরে শুয়ে ঘুমায় এবার । এই ঘুম চেয়েছিলে বুঝি ! রক্তফেনামাখা মুখে মড়কের ইদুরের মত ঘাড় গুজি আঁধার ঘুজির বুকে ঘুমায় এবার ; কোনদিন জাগিবে না আর ." কবি জীবনানন্দ দাশের এই অবিনাশী কবিতাটি পড়ে যুগে যুগে শিহরিত হয়েছে সবাই। লাশকাটা ঘরে মৃত এক মানুষের গল্প বলেন কবি , গত রাতেই যে বেছে নিয়েছিল আত্মহত্যার পথ। আচ্ছা আত্মহত্যার পূর্ব অনুভূতি কেমন হতে পারে ? একটি বদ্ধ ঘরে ফ্যানের সাথে ঝুলানো একটি দড়ি , অথবা বহুতল ভবনের ছাদ , কিংবা হাতে গুজে রাখা কয়েকটা ঘুমের বড়ি............ ঠিকে তার আগ মুহূর্তে কি চলে সেই মানুষটার মনে ? নানা ধরণের চাপ , অশান্তি , ঘৃণা , রাগ , ভয় , হতাশা .........যুগ যুগ ধরে আত্মহত্যা করা মানু...

THE JOURNEY OF NEWS

Image
খবর পৌছানোর রেওয়াজটা বিশ্বে প্রথম শুরু হয় রোমান সাম্রাজ্যের সময়কালে। মানুষের দৈনন্দিন কর্মকান্ড (ল্যাটিন ভাষায় যাকে বলা হয় “ অ্যাক্টা ডিউরনা ” ) একটা পাথরের উপর খোদাই করে  রেখে দেওয়া হত জনবহুল জায়গাগুলোতে। এতে করে সাধারণ মানুষ এই ঘটনাগুলো জানার সুযোগ পেত। একই সময়ে চীনেও শুরু হয় খবর পৌছানোর এই রীতি। চীনের সরকার আঞ্চলিক শাসকদের কাছে তাদের প্রয়োজনীয় খবরগুলো (চীনা ভাষায় যাকে বলা হয় “ দিবাও ” ) সরবরাহ করত। এই খবরগুলোর কিছু অংশ আবার পৌছে যেতো সাধারণ মানুষদের কাছে। হাজার বছরের এই রীতিতে পরিবর্তন আসে এক জার্মানের হাত ধরে। ইয়োহান গুতিনবার্গ প্রথম আবিষ্কার করেন ছাপানোর যন্ত্র। তিনি এই যন্ত্রের নাম দেন “ দ্যা প্রিন্টিং প্রেস ” । ১৪৫৪ সাল থেকে তিনি এই যন্ত্র ব্যাবহার করা শুরু করেন । এক বছরের মাথায় তিনি “ বাইবেলকে ” পুস্তক আকারে প্রকাশ করেন। গুতেনবার্গের আবিষ্কারের মাধ্যমে আমূল পরিবর্তন আসে সংবাদ প্রকাশের রীতিতে। দ্যা বোস্টন সানডে গুতেনবার্গের  পদ্ধতিটা ছিলো দ্রুত , সহজ এবং সবার জন্য উপোযোগী। তবে ক্ষমতাটা ছিলো সরকারের হাতেই কারণ তারাই নিয়ন্ত্রণ করত কী ধরণের লেখা প্র...

পরম্পরা (পর্ব ৩)

Image
*আগের পর্ব - পরম্পরা (পর্ব- ২) এরপর................ .. এখন  অভির এক নতুন জীবন শুরু হয়েছে !  পড়ালেখার ফাঁকে তার জীবনে আরও এক জন এসেছে।   ওর নাম মৌমিতা !  মৌমিতা অভির সাথে একই মেডিকেল কলেজে পড়ে। দুজনের ক্লাস একই হলেও পরিচয়টা কিন্তু অনেক দেরীতে। তাদের জীবনটা ছিল যান্ত্রিক অথচ অপার সুখের। মৌমিতা অভির জীবনে আসে হঠাত করেই। সেদিন অভি গাছতলায় বসে বই পড়ছিল। সকাল থেকে দুটো ক্লাস হওয়ার কথা থাকলেও শেষটা আর হয় নি। হঠাত মৌমিতা এসে অভির পাশে দাঁড়ায় ।  অভির দিকে একটা খাতা বাড়িয়ে বলে,  “এটা কি তোমার নাকি?” । মৌমিতার হাত থেকে খাতাটা নেয় অভি। খাতার উপর নাম লেখা.........  “অভি রায়” ......ক্লাস শেষ হওয়ার পর খাতাটা ব্যাগে ঢুকাতে বেমালুম ভুলে গিয়েছিল অভি। “ধন্যবাদ, আপনাকে”। হঠাত অভি একটা অস্বস্তিতে পড়ল এই মেয়েটাকে সে আগেও ক্লাসে দেখছে কিন্তু নাম জানা হয়নি কখনো। আর অভি এমনিতেই অনেক চুপচাপ থাকতে পছন্দ করে। অভির অবস্থা কিছুটা আঁচ করতে পারে মৌমিতা......  “আমি মৌমিতা, তোমাকে কিন্তু আমি চিনি!”  অভি জোর করে কিছুটা হাসার চেষ্টা করে।  “আচ্ছা আসি” ...

তাজউদ্দীন আহমেদ - 'মুছে যাক আমার নাম, তবু বেঁচে থাক বাংলাদেশ'

Image
তাজউদ্দীন আহমেদ সা ল   ১৯৭১ ।   স্থান   ৮ নম্বর থিয়েটার রোড , প্রবাসী   মুজিবনগর সরকারের   কার্যালয়। সেখানটারই একটা চেয়ারে বসে আছেন খুব সাদামাটা পোশাকের এক সুদর্শন ব্যক্তি , চোখে কালো মোটা ফ্রেমের চশমা। একটু চিন্তিত মনে হচ্ছে তাঁকে , কারণ কিছুক্ষ্ণ আগেই খবর পেয়েছেন , একমাত্র ছেলেটা খুব অসুস্থ , দেখতে যাওয়াটা জরুরি। পরক্ষণেই তার চোখে ভেসে ওঠে , সারা দেশে যখন মুক্তিযোদ্ধারা খেয়ে না খেয়ে , পরিবার পরিজন ফেলে রণাঙ্গনে দেশের জন্যে লড়ছে , আর তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়ে   আরামের জীবন কাটাবেন , পরিবারকে সময় দেবেন , তা তো হতে পারে না। অতএব ,  রয়ে গেলেন সেখানেই ।  শুধু তাই নয় , যুদ্ধের পুরোটা সময় তিনি তাঁর অফিসঘরেই কাটিয়ে দেন , শুধুমাত্র দেশের স্বাধীনতার কথা চিন্তা করে। এমনকি ইদের দিনও তিনি ছুটেছেন দূর দূরান্তের রণাঙ্গনে , মুক্তির বার্তা নিয়ে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাজউদ্দীন আহমেদ বলছিলাম বাঙ্গালী জাতির এক মহান কান্ডারী , তৎকালীন মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদের কথা। বাংলাদেশের স্বাধীনতার কথা আসলেই যে কটি নাম ...

The Scariest Serial Killers!

Image
আমাদের মত তারাও স্বাভাবিক আইডেন্টিটি নিয়েই চলে । কিন্তু তাদের মুখোশের আড়ালে থাকে এক ভয়াবহ চরিত্র । তাদের সেই ভয়ানক সত্ত্বার গল্প ইতিহাস জুড়ে বিদ্যমান । বলছি সিরিয়াল কিলার দের কথা । যাদের কে এই প্রোফাইলে রাখা হয় তারা তিন এর বেশি হত্যাকাণ্ড সম্পাদন করেন । এদের কিছু প্যাটার্ন থাকে , টাইম পিরিয়ড থাকে । বিখ্যাত টিভি সিরিজ ‘Dexter’ এ কয়েকজন সিরিয়াল কিলার এর প্যাটার্ন সম্পর্কে দেখানো হয় । ইন্টারেস্ট থাকলে দেখার সাজেশন রইল ।  বলছি ইতিহাসের কয়েকজন ভয়ঙ্কর সিরিয়াল কিলার এর কাহিনী । ১) Ted Bundy উনাকে ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ানক সিরিয়াল কিলার বলে চিহ্নিত করা হয় । তরুণীদের কে কিডন্যাপ করে হত্যা করা ছিল তার নেশা । যতজন কে হত্যা করেছেন সবাই সেক্সুয়াল এসল্ট এর স্বীকার হয়েছে,কিন্তু  হত্যার পরে ! উনি অধিকাংশ সময় ডিজএবল্ড হিসেবে রুপ ধারন করতেন ,আর বাকি সময়ে ডিরেক্ট ভিকটিম এর ঘরে ব্রেক করে সরাসরি হত্যা করতেন , তারপর অত্যাচার-রেপ, শেষে ‘ট্রফি’ কালেকশন । আর সবার মত উনিও ‘ট্রফি’ হিসেবে ভিকটিম এর দেহ থেকে ‘মাথা’ খুলে নিজের সংগ্রহে রাখতেন । ১৯৭৪-৭৮ সালের মদ্ধে আমেরিকার ৭ টি স্টেট এ উনার কনফেসন অনুযায়ী ...